ব্লগিং করে ইনকাম করার কলা-কৌশল:(নির্ধারিত টেকটিক্স গাইড-২০২৬)
আজকাল অনলাইনের মাধ্যমে টাকা ইনকামের যুগে হাজারো রকমের উপায়, পদ্ধতি বা কৌশল রয়েছে। বর্তমানে Meta Name, Meta Description, Meta Tag, নিশ, Keyword Research এর মাধ্যমে ইউনিক, কপিরাইট ফ্রি ও অরিজিনাল কন্টেন্ট লিখা বাধ্যতামূলক। এটি আপনার জীবনে একটি আয়ের উৎস হিসেবে কাজে আসতে পারে।
গুগল এডসেন্স ১০ টি ওয়েব সাইট বিল্ডার্সকে ইনকামের জন্য অনুমোদন করে থাকে
তাছাড়া , অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আপনি ব্লগিং কে Fulltime, Partime জব হিসেবে বেছে নিয়ে মাসে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আপনাকে এ জন্য বেশ কিছু উপায় ও পদ্ধতি অবলম্বন করে নিয়মিত কাজ করতে হবে।
নিচে এ সমস্ত পদ্ধতি আপনার উপার্জনের স্বার্থে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করা হলো:
- Goggle Adsense থেকে আয়
- Affiliate Marketing এর মাধ্যমে
- Sponsored হিসেবে ব্লগিং করে
- Digital Products বিক্রির সাহায্যে
- Online Tutorial Courses বিক্রি করে
- Freelancing Service বিক্রির মাধ্যমে
- ওয়েবসাইট তৈরির জন্য partnership হিসেবে
- Email Marketing করে ইনকাম
- E-book বিক্রি করে আয়
- Advertisement বিক্রির মাধ্যমে আয়
- ব্লগের সাথে YouTube Video বানিয়ে
- Traffic বাড়িয়ে দিয়ে Facebook মনিটাইজেশন প্রসেস
- CPA Marketing এর মাধ্যমে
- Doing Consultation Survice
- Dropshiping Business ও E-Commerce
1.Goggle Adsense থেকে আয়:
ব্লগিং করে এডসেন্স এর মাধ্যমে নিজের বানানো ওয়েব সাইটের পোস্টে বিজ্ঞাপন শো করে অর্থ উপার্জন করা যায়। এর জন্য আপনাকে প্রথমে অবশ্যই এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হবে।
এক নামে একটির বেশি একাউন্ট খোলা যাবে না। যদি এক নামে একাধিক একাউন্ট খুলেন তাহলে এডসেন্সের গাইড লাইন অনুযায়ী যে কোন একটি একাউন্ট ইচ্ছে মত রিজেক্ট করে দিবে আর এতে আপনি অসুবিধায়ও পরতে পারেন। কারণ, আপনি যার মাধ্যমে এপ্রুভাল পেয়েছেন বা পারেন সেটি যদি রিজেক্ট হয় তাহলে তো চেষ্টা সব সব বৃথা।
যদি খুলতেই হয় তাহলে অন্য কোনো নামে খুলতে হবে।আর তা সংযুক্ত করে নিতে হবে। তবে তার বয়স অবশ্যই ১৮ বছর হতে হবে।
আপনি উক্ত এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভাল প্রাপ্ত ইউটিউব চ্যানেল এর সাথে কানেক্টিং করতে পারেন। আর ভিডিও চলাকলে এতে এড শো করবে আর তখনই আপনার গুগল এডসেন্স ড্যাসবোর্ডে ইনকাম দেখা যাবে। এই আয় এডসেন্স সাধারণত CPC (Cost Per Click). কোন লিঙ্কে ক্লিক করে, ফর্ম সাবমিট , ইমেইল সাবস্ক্রাইব ও App ডাউনলোড করে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন আসাকে CPC বলে । CPM (Coat Per Mille) . এটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হলো হাজার। এটি এভাবে প্রদান করে প্রদান করে।
- ইউনিক ও কোয়ালিটি সম্পন্ন কন্টেন্ট পোস্ট করতে হবে
- Image Jpg ফরমেটে Recommended Size ১২০০×৬৩০ হতে হবে
- 1.About Us, 2.Contact Us, 3.Privacy Policy, 4.Terms-and-Conditions and 5.Disclaimer পেজ সংযুক্ত করা পরিষ্কার নেভিজেশন আনুন
- Responsive , Mobile ও SEO Friendly design করা
- Custom Domain ও Hosting এড করতে হবে কমপক্ষে ২০-৩০ টি পোস্ট করতে হবে ট্রাফিক বাড়িয়ে নিন
2.Affiliate Marketing এর মাধ্যমে:
কোন পণ্য বা সেবার এফিলিয়েট লিঙ্ক ব্লগ পোস্টের সাথে যুক্ত করে আপনি এডসেন্সের মাধ্যমে ও এফিলিয়েট এর কমিশন লিঙ্ক শেয়ার করে ইনকাম করতে পারেন। এতে আপনি এডসেন্স বিজ্ঞাপনে ক্লিক ও Affiliate Marketing এর লিঙ্কের সাহায্যে বিক্রয় কমিশন লিঙ্ক এর মাধ্যমে দ্বিগুণ লাভ পাবেন।
আপনার জনপ্রিয় কিছু Affiliate Program Link:
- Fiveer Affiliate Link
- Upwork Affiliate Link
- Freelance Affiliate Link
- Amazon Affiliate Program
- Hostinger Affiliate Link
- Namecheap Affiliate Link
- Canva Affiliate Link
এই উপরোক্ত লিঙ্কের মাধ্যমে যে আয় হয় তা এডসেন্সের তুলনায় অনেক বেশি আর উক্ত উপার্জন বিক্রিত কমিশন এর মাধ্যমে অর্জিত হয়।
3.Sponsored হিসেবে ব্লগিং করে:
আপনার ব্লগের পোস্ট গুলো যখন ট্রেন্ডিং ও গুগল সার্চ বারের প্রথমেই রেংক পায় তখন মনে করবেন যে, আপনি Top Lavel Blogger. এতে আপনাকে কোন কোম্পানি পণ্য বা Tools বিক্রির জন্য Sponsor হিসেবে Offer করতে পারে। তার পণ্য বিক্রির লিঙ্ক আপনাকে চুক্তি ও কমিশন এর মাধ্যমে মোটা অঙ্কের লভ্যাংশ দেয়।
কি কি পণ্য বা Tools বিক্রির জন্য স্পনসর হিসেবে আপনাকে এগ্রিমেন্ট দেয়:
- নির্দিষ্ট কোন পণ্য বা Tools এর রিভিউ
- ওয়েবসাইট রিভিউ
- সফটওয়্যার রিভিউ
- ব্র্যান্ডের প্রচারণার রিভিউ
আপনার ওয়েবসাইট তখন আপনি আপনার ব্লগ পোস্টের সাথে পণ্য বিক্রির কমিশন লিঙ্ক এড করে দিবেন। বড় বড় পণ্য বা Tools ক্রেতাগণ আপনার ব্লগ পোস্টে দেওয়া সেই লিঙ্কে ক্লিক করে ক্রয় করেন আর তখনি আপনি কমিশন পেয়ে যাবেন। আবার,ব্লগ পোস্টের মান যদি কোয়ালিটি সম্পন্ন হয় আপনার রেটিং বেড়ে যায় আর ইনকামও বেড়ে যায়।
4.Digital Products বিক্রির মাধ্যমে:
যে সব পণ্য ডিজিটাল কাঠামো , গঠনে বা সংখ্যা যুক্ত এবং ফরমেটে বানিয়ে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হয়, সেগুলো ডিজিটাল Product হিসেবে পরিচিত। এগুলোর PDF File DOWNLOAD করা যায়, এমনকি স্ট্রিম বা এক্সেস করার ব্যবস্থাও হয়।
এই ফরমেটের যে কাজগুলো অন্তর্ভুক্ত:
- E-book বিক্রয়
- Download এর জন্য PDF Guide
- Theme বা Template
- SEO Cheaker
- Online Course for beginner
এ সমস্ত তৈরি করা থাকলে Buyers দরকার মত ক্রয় করতে পারেন। শুধু দামে একটু সস্তায় রাখতে হবে। আর ডলার মূল্য মান বা টাকায় রাখতে পারেন যাতে সবার কাছে কেনা সম্ভব হয়। যেমন- ধরুন কিছু ডোমেন, হোস্টিং, টেমপ্লেট বা ডিজাইন।
5.Online Tutorial Courses বিক্রি করে:
যারা অনলাইন ডেপলপার বা ওয়েব সাইট ডিজাইনার তাদের টেকনিক্যালি কিছু দক্ষতা, পারদর্শিতা বা অভিজ্ঞতা থাকে ; যেগুলো বিষয়ে ব্লগ,ভিডিও, ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং বিভিন্ন টুলস। তাঁরা উক্ত বিষয়ে কোর্স-১ ,২ ,৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ স্বরূপ ব্লগে , ইউটিউবে, linkedIn, Twitter, Telegram ইত্যাদিতে বিক্রির জন্য ব্যবস্থা দিয়ে থাকেন।
যে যে কোর্স বিক্রির জন্য দিয়ে থাকেন:
- Technology বিষয়ক Blogging
- SE (Search Engine)
- SEO(Search Engine Optimisation)
- Digital Marketing Processing
- Graphics and Website Development
- AI Tools and Utiliging
যেহেতু, এ সকল টিউটোরিয়াল কোর্স আপনার নিজের তৈরি কৃত তাই যথোপোযুক্ত ও কৌশল জ্ঞান সমৃদ্ধ হলে এগুলোর ডিমান্ড থাকে। তাছাড়া এসমস্ত টিউটোরিয়াল এর জন্য ইউজার বা বাইয়ার দের কমেন্টস ও FAQ এর ব্যবস্থা রাখবেন। যাতে তারা তাদের মতামত, সেটিংস ও কৌশল গত সমস্যার বিষয়ে জানাতে পারেন। আর আপনার দুর্বল দিক ও সবল দিক বিষয়ে অবগত করাতে পারেন।
6.Freelancing Service বিক্রির মাধ্যমে:
বর্তমানে Part Time Job এর একটি সর্বাধিক , সর্বশ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় আয়ের মাধ্যম হলো এই Freelancing Job. যেমন, আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।
আপনার যে যে বিষয়ে ধারণা ও কুশলী জ্ঞান আছে তার উপর গিগ Promote করতে পারেন। যেমন-
- Website Customization
- SEO Optimisation
- Theme বা Template Customization
- HTML Tag ও Coad
- All Logo Design
- Digital Marketing
- Graphic Design
- Facebook Monetization
- YouTube Channel Monetization
বর্তমানে উপরের Service গুলোর প্রত্যেকটির চাহিদা বিশ্ব বাজারে আয়ের উৎস হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। আপনি যদি এ সমস্ত বিষয় নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং জব করেন তাহলে অবশ্যই ক্লায়েন্ট পাওয়া খুবই সহজ ও সুবিধা হবে। আর এতে আপনি যথেষ্ঠ আয়ও করতে পারবেন।
7.ওয়েবসাইট তৈরির জন্য Partnership হিসেবে:
এখানে আপনি Partner হতে Join করার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি এরকম শর্ত দেন যে, আপনি Join হলে বা রেজিস্ট্রেশন করলে $2 ডলার পাবেন। আর তা বাস্তবে তাদের Payment Dashboard এ যোগ হবে।
এতে আপনি যে যে জব করার জন্য Partner দের নিচের বিষয় সমূহ নির্ধারণ করতে পারেন:
- Article লিখে আয়
- SEO Training এর পর ইনকাম জব
এতে ইউজার দের আর্থিক লাভে আগ্রহী করে তাদের আপনার গ্রুপে Partnership হিসেবে সংযুক্ত করাতে পারেন। তাদের ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করে দিয়ে কাজের বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। এতে মাস শেষে তাদের ইনকামের উপর কমিশন হিসেবে আয় প্রদান ফরতে হবে।
8.Email Marketing করে ইনকাম:
যারা আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে, কমেন্ট করে ও সাবস্ক্রাইব করে সেই ভাইদের Email গুলো একটা Notepad এ কপি করে রাখতে হবে। এবার তাদের Email এর মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে হবে।
পারলে তাদের পরামর্শ ও এর মান সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিন। তারা হয়তোবা আপনার প্রস্তাবিত পণ্যটি নিতে আগ্রহী হবে। আর প্রচারের জন্য পণ্যের এফিলিয়েট লিঙ্ক দিতে হবে। তাদেরকে বিক্রিত পণ্যের নির্ধারিত কমিশন দিতে হবে। এতে আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বেড়ে যাবে। আর এভাবে ব্লগ পোস্টের সাহায্যে পণ্যের বিক্রয় বাড়িয়ে নেওয়া যায়।
9.E-book বিক্রি করে আয়:
এই E-book হলো Electronic Book . এটা সাধারণত ডিজিটাল আঁকারে বের করা হয়। এটা মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কম্পিউটার, ডেস্কটপ বা E-reader ডিভাইসে পড়া হয়। এটা প্রকাশক গণ PDF, EPUB , Mobi ইত্যাদি ডিজিটাল ফরম্যাটে বের করেন।
এতে বিভিন্ন রকমের গুণাগুণ লক্ষ্য করা যায়:
- এটা অনলাইনে বা অফ লাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল আকারে পড়তে সুবিধা
- কোনো রকম কাগজ ছাড়াই পড়া যায়
- এর PDF Download Store করে রাখা খুবই সহজ
- খরচ তুলনা মূলক ভাবে কম লাগে
- শুধু হাতে একটা মোবাইল থাকলেই হয়
তাই ব্লগারগণ ইউজার দের আকর্ষণীয় করতে E-book কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নজর কাড়া টুলস হিসেবে মনে করেন। এটা ফ্রিতে বা পেইড দুটোই ব্যবহার করা হয়। আবার,Technology বিষয়ে ১০ টি বা ২০ টি ব্লগ পোস্ট E-book আকারে প্রকাশ করা যায়। এতে PDF , EPUB বা Mobi ফরমেট সাইজে Download করার জন্য Convert করার ব্যবস্থা করা যায়। বর্তমানে অনেক আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামার এই E-book প্রকাশ, প্রচার ও বিক্রি করে প্রতিদিন ইনকাম করছেন।
10.Dropshiping Business ও E-Commerce:
বর্তমানে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের এডস বসিয়ে শো করার জন্য যে জায়গা থাকে তা বিক্রি করে প্রতিদিন টাকা ইনকাম করতে পারেন। একেই সাধারণত Advertisement বিক্রির মাধ্যমে আয় করা বুঝায়।
যে যে পদ্ধতিতে এড এর মাধ্যমে ইনকাম করা যায়:
- Direct Ad বিক্রি করে আয়
- ব্র্যান্ডের পণ্য বা Service নিয়ে
- Social Media তে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে
আপনাকে এই পদ্ধতিতে মাসিক বা বাৎসরিক সময়ান্তে বিজ্ঞাপন দাতাগণ ব্লগের নির্দিষ্ট জায়গায় বিজ্ঞাপনের এডস শো করার জন্য অর্থ প্রদান করে থাকেন। এতে এডসেন্সের থেকে বেশি ইনকাম হয়ে থাকে।
11.ব্লগের সাথে YouTube Video বানিয়ে:
ব্লগের নামের সাথে ইউটিউব চ্যানেলের নাম মিলিয়ে এর ভিউ বাড়ানো যেতে পারে। ব্লগের কন্টেন্টেের সাথে ভিডিও বা টিউটোরিয়াল কোন কোর্স বিষয়ে ভ্লগ বানিয়ে দুটোরই ট্রাফিক ও ভিউ বাড়ানো যেতে পারে। এ থেকে ব্লগ ও ইউটিউব দুটোর মাধ্যমে ইনকাম করা যায়।
12.Traffic বাড়িয়ে দিয়ে Facebook মনিটাইজেশন প্রসেস:
Facebook এমন একটি যোগাযোগ মাধ্যম যার মাধ্যমে কোন লিঙ্ক বন্ধুদের ফেসবুক পেজ ও ফেসবুক গ্রুপ শেয়ারিং করে এনগেজমেন্ট বাড়িয়ে দেয়।
এতে আপনি ব্লগে ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য ফেসবুকে যে যে কর্মকাণ্ড করবেন:
- Facebook Page তৈরি
- Facebook Group Create
- Reels Video Post
- Live Streaming Video দেওয়া
- Story Posting
- Post Submit
এই উপরোক্ত ফেসবুকের এনগেজমেন্ট বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন অন্তত ২ টি করে পোস্ট সাবমিট করুন। ব্লগ সাইট এর পোস্টের লিঙ্ক পেস্ট করুন। আর শেয়ার করে আপনার ব্লগ থেকে ফেসবুক , ফেসবুক থেকে ব্লগের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধন গড়ে তুলুন।
13.CPA Marketing এর মাধ্যমে:
প্রথমে আমাদের জানা দরকার যে, সিপিএ মার্কেটিং বলতে কি বোঝায়। এর জন্য আমাদের CPA এর পূর্ণরূপ জানা দরকার। C=Cost P=Per A=Action. এখানে মার্কেটিং এর অফার ও রিওয়ার্ড লিঙ্কের সঙ্গে কানেক্টিং করে দেওয়া হয়। যাতে CPA মার্কেটার গণ বিক্রয় করে ও বিক্রয় ছাড়াই কমিশন পেয়ে থাকেন।
আপনাকে এই কমিশন লিঙ্ক গুলো দিয়ে CPA Marketing করতে হবে:
- Fiver Affiliate এর CPA Link
- Upwork Affiliate এর CPA Link
- Freelance Affiliate এর CPA Link
- Amazon Affiliate Program এর CPA Link
- Hostinger Affiliate এর CPA Link
- Namecheap Affiliate এর CPA Link
- Canva Affiliate এর CPA Link
এতে যে যে কমিশন লিঙ্কের মাধ্যমে ইনকাম করা সম্ভব সেগুলো দিয়ে আমারা কিভাবে CPA Marketing করতে পারি।
ব্লগে Link Post করে CPA Marketing একটি সাধারণ অনলাইন ব্যবসা। Link post কোথায় কোথায় করে এ থেকে ইনকাম করা যায়:
- একসঙ্গে ১০ টি ইমেইলে লিঙ্ক Send করে
- Upwork এর CPA Marketing Link এর সাহায্যে
- Servey তে Apps Install করে Dollar প্রদান
- Quora, YoFan, Heylink.me, Google Sites এর তৈরি কৃত সাইটে
14.Doing Consultation Survice:
আপনি যদি টেকনোলজির কোন বিষয়ে সুদক্ষ ও পারদর্শী হয়ে থাকেন । সেক্ষেত্রে আপনি একজন পরামর্শক হিসেবে কাজ করে ইনকাম করতে পারেন।
- SEO Optimisation বিষয়ে Consultation
- Theme বা Template Customization
- HTML Tag ও Coad সম্পর্কে পরামর্শ দান
- Blogget থেকে Domain Wordpress এ Domain Set up
- Plugin সম্পর্কে ধারণা দান
ক্লায়েন্ট দের আপনার ব্লগে আমন্ত্রণ জানাতে হবে ।আপনি যে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং দক্ষ তা ইউজার দের জানাতে হবে। মনে করেন আপনি উপরোক্ত বিষয়ে কুশলী । তাহলে হয়তো তারা আপনাকে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য অফার দেবে আর এভাবেই আপনার আয় বেড়ে যাবে।
15.Dropshiping Business ও E-Commerce:
Dropshiping Business এ আপনি অনলাইনের মাধ্যমে কোন পণ্য স্টক বা মজুদ না রেখেই বিক্রি করতে পারবেন । গ্রাহক যদি কোন পণ্য ক্রয় করে তার অর্ডারটি সরবরাহ কারীর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সরবরাহ কারী তখন সেই পণ্যটি সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পাঠিয়ে দেন।
যে সব কোম্পানির মাধ্যমে স্টক ছাড়াই পণ্য গ্রহীতাদের কাছে মূল্য পরিশোধ করে দিয়ে Dropshiping E-Commerce Business পরিচালনা করে ইনকাম করা সম্ভব।
নিচে কয়েকটি সুপরিচিত ও বিখ্যাত কোম্পানির নাম তুলে ধরা হলো:
- Amazon
- eBay
- Daraz
- Alibaba
এর সুবিধা সমূহ নিচে দেয়া হলো:
- এতে অনলাইন স্টোর বানানো হয়
- তা পণ্য সরবরাহ কারীর পণ্যের সাথে সংযুক্ত করা যায়
- গ্রাহক আপনার স্টোর থেকে পণ্য ক্রয়ের অর্ডার করবেন
- সরবরাহ কারীকে অর্ডারের মূল্য পরিশোধ করতে হবে
- সরবরাহ কারী তখন পণ্যটি গ্রাহকের কাছে পাঠিয়ে দেবেন
- পণ্য স্টক রখার কোনো প্রয়োজন নেই
- কোনো বিনিয়োগেরও প্রয়োজন হয় না
- আপনি ঘরে বসেই পণ্য বিক্রি করতে পারবেন
তাহলে এখন বোঝা গেল যে, Dropshiping এমন একটি E-Commerce ব্যবসা যেখানে আপনি পণ্য স্টক বা মজুদ না রেখেই সরবরাহ কারীর মাধ্যমে পণ্যের দাম পরিশোধ করে গ্রাহকের কাছে পণ্য বুঝিয়ে দিয়ে বিক্রির উপর লাভ করতে পারবেন।
শেষকথা:
ব্লগ সাইট থেকে আয় করার উপায় , পদ্ধতি বা কৌশল বিভিন্ন রকমের থাকলেও বাস্তবে ইনকাম করা খুবই কষ্টকর ব্যাপার। সবাই চায় গুগল এডসেন্স থেকে আয় করা। আর এজন্য ইউনিক, কপিরাইট ফ্রি ও অরিজিনাল কন্টেন্ট পোস্ট করা জরুরি। আর এতে অনেকে আয় করতে পারে আবার কেউ কেউ আয় করতে
শুধু তাই নয়, এফিলিয়েট মার্কেটিং, Digital Marketing , CPA Marketing, Email Marketing , Fiverr, Freelance, Upwork, Survey ও SEO Survice , Graphic Design, Website Development, AI Tools ইত্যাদি বিষয়ে ব্লগে পোস্ট ও সমাধান দিয়ে আপনি পার্টনার দের নিয়ে প্লাটফর্ম তৈরি করতে পারেন। এভাবেই ব্লগিং করে Passive ও Instantly ইনকাম করা যায়।
